নূরানী কায়দা পদ্ধতিতে কুরআনুল কারীম শিক্ষা সাইট
العربية English Español 日本語 Français اردو 中文 한국어 русский বাংলা Türkçe
 

কায়েদা নূরানীর সম্পর্কে এক প্রশ্নের উত্তরে ইঞ্জিনিয়ার: মুহাম্মাদ ফারুক আর-রায়ী বলেন: কায়েদা নূরানী হল: আরবী ভাষার আক্ষরিক জ্ঞান এবং কুরআন কারীমের তাজভীদ শিক্ষার বাস্তব শিক্ষা। এটি ভারত, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, নেপাল এবং দক্ষিণ আফ্রিকা সহ অন্যান্য মুসলিম দেশগুলিতে এবং অন্যান্য দেশের মুসলিম এলাকাগুলিতে শুরু হয়েছে। আর কিতাবটির সংজ্ঞা এবং নুরানী কায়দা এবং বাগদাদী কায়দার মাঝে পার্থক্য নিম্নে প্রদত্ত হল: ১। বহু কাল থেকে কায়দা বাগদাদীর প্রচলন ছিল, পরে সেটা বিলুপ্তি বা বিলুপ্তির পথে। তবে কায়দা নূরানী ভারতীয় উপমহাদেশে একশত বছর পূর্বে প্রকাশ হওয়ার পর থেকে এখনো চলছে এবং বারংবার তা ছাপানো হচ্ছে। এটি ১৪১৯ হিরজরী থেকে আরব বিশ্বে প্রকাশ ঘটেছে, যখন আল্লাহ তায়ালা আমাকে এটির যত্ন করার এবং ছাপানোর তাওফীক দান করেছেন। যার দরূন ১৪১৯ হিজরী থেকে ১৪২৬ হিজরী অবধী এটি দশবারের অধিক ছাড়ানো হয়েছে। ৩।নূরানী কায়দার প্রতিটি শব্দ কুরআনুল কারীম থেকে নেওয়া, আর বাগদাদী কায়দা এর বিপরীত। তাতে অনেক শব্দ রয়েছে, যা বিশুদ্ধ আরবী না। ৪। নূরানী কায়দার পাঠগুলি আধুনিক স্মার্ট পদ্ধতিতে ধারাবাহিকতা বজায় রেখে সাজানো হয়েছে। গ্রন্থাকার (রাহেমাহুল্লাহ) অতি যত্নে কুরআন থেকে উদাহরণ উপস্থাপন করেছেন, যা প্রাথমিক শিক্ষার্থীর প্রয়োজন। অতপর নিম্নের পদ্ধতিতে তিনি সাজিয়েছেন:- শুরু করেছেন বর্ণমালার মাধ্যমে, অতপর যুক্ত বর্ণ দ্বারা, তারপর হুরুফ মুকাতায়া, তারপর হরকতযুক্ত অক্ষর, তারপর তানভীন, তারপর হরকত ও তানভীনের অনুশীলন, তারপর যে মদ্দের বর্ণগুলি ও লীনের বর্ণদ্বয়, তারপর সাকিন এবং সানিক অনুশিলন তারপর তাশদীদযুক্তি বর্ণ ও অনুশিলন। অতপর সকল প্রকার মদ্দের বিবরণ নিয়ে এসেছেন। তারপর শেষ অধ্যায়ে অবশিষ্ট তাজভীদের বিধানগুলি আলোচনা করেছেন। যেমন নূন সাকিন ও মীম সাকিনের বিধানসমূহ ইত্যাদী। আর কায়দা বাগদাদীতে ধারাবাহিকতা রক্ষা করা হয়নি। ৫। পূর্বেল্লেখ্য থেকে জানা গেল যে, জ্ঞানীদের মতে, এলেম হল সেটাই যেটা আলেমদের থেকে গ্রহণ করা হয়, জাহেলদের নিকট থেকে নয়। আর কায়দা নূরানীর গ্রন্থকার একজন প্রসিদ্ধ কুরআনের আলেম, অন্যদিকে কায়দা বাগদাদীর গ্রন্থকার সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি।

http://www.furqancenter.com

موقع ترديد .. موقع تعليم القرآن الكريم بطريقة القاعدة النورانية